আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে একটি দেশের উন্নত মান নির্দেশিত হয়। প্রতিষ্ঠাকাল (১৯৯২ খ্রী.) থেকে হাইমচর মহাবিদ্যালয়টি আদর্শনিষ্ঠ বিদ্যার্থী তৈরী করে তার ঐতিহ্যকে গৌরবন্বিত করে রেখেছে। উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেনি থেকে শুর করে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষাদানের গুরু দায়িত্ব একনিষ্ঠভাবে পালন করে চলেছে এ প্রতিষ্ঠান। মহাবিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতিতে এবং অবকাছামোগত উন্নয়নে চাঁদপুর হাইমচর নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী জনাব, ডা. দীপু মনি মহোদয়ের সক্রিয় সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। আরবা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।
আমাদের স¦প্ন হাইমচর সরকারী মহাবিদ্যালয়কে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিণত করা। যার মধ্য থেকে বেরিয়ে আসবে সৎ, নিষ্ঠাবান, দায়িত্বপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং কর্ম জীবনের উপযোগী জ্ঞান সমৃদ্ধ ছাত্র-ছাত্রী। এসব ছাত্র-ছাত্রী কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যদি তাদের পরিবার, সমাজ, দেশ ও সর্বোপরি মানুষের কল্যাণে কিছু করতে পারে তবেই সার্থক হবে আমাদের সব আয়োজন ও প্রয়াস। সে জন্য প্রয়োজন শিক্ষা জীবনে ছাত্র-ছাত্রীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও নিরলস সাধনা। এ ক্ষেত্রে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ও রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আমি বিশ^াস করি, হাইমচর সরকারী মহাবিদ্যালয়ে সংশিষ্ট সকলের মধ্যে রয়েছে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার সুস্থ মানসিকতা। আমি আন্তরিকভাবে মরে করি, একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের থাকবে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম এবং তা সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য যৌক্তিক নিয়মকানুন। এ উদ্দেশ্যেই রচিত হয়েছে হাইমচর সরকারি মহাবিদ্যালয়ের এ প্রসপেক্টাস। এ প্রসপেক্টাস-এ বর্ণিত কার্যক্রম, দিক নির্দেশনা ও নিয়ম কানুন সকল শিক্ষার্থী মেনে চলবে-এ আমার বিশ্বাস।
ঘাইমচর সরকারি মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যারা মেধা, অর্থ, শ্রম, ভূমি-ভবন দাতাদের রয়েছে অপরিমেয় দান। প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এডভোকেট মোখলেচুর বহমানসহ অনেক অনেক মহান ব্যক্তিবর্গ, এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, হিতৈষীগণ, জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের সহৃদয় সহযোগিতা, এলাকবাসীর আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দের সর্বাত্মক সহযোগিতায় প্রষ্ঠিানটি উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে- এ বিশ্বাস আমাদের এগিয়ে চলার পথেয়।